advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে দেশটিতে একটি বড় আকারের স্থায়ী কনস্যুলেট জেনারেল ভবন নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটির সংশোধনী উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

foreign ministry newপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে দৈনিক সমকাল জানায়, প্রকল্পটি নির্মাণের পক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তাদের সুপারিশ দিয়েছে। পাকিস্তান সরকার এর জন্য বাংলাদেশকে ইসলামাবাদে সাত হাজার ৭৬৮ কোটি বর্গমিটারের একটি জমিও দিয়েছে। যার ঠিকানা- ব্লক-৯ ও ১৫, সেক্টর জি-৫, ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ, ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। আগামী ২০২২ সালের জুনে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। চলমান প্রকল্প হিসেবেও এটি চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যার জন্য ১০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি কিছুটা সংশোধন করে ফের একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি সংশোধনের সুপারিশে পরিকল্পনা কমিশন জানায়, অডিটোরিয়াম তৈরিসহ নতুন কিছু কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পটি সংশোধন করা হয়েছে। ইসলামাবাদে কনস্যুলেট ভবনটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে মিশনের দাপ্তরিক কাজকর্ম নিজস্ব ভবনে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তাই একনেকে প্রকল্পটির সংশোধনী অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হলো।

প্রকল্পটি নির্মাণের ব্যাখ্যায় সরকারের পক্ষ থেকে চারটি যুক্তি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো- পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা, দুই দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা, দূতাবাসের জন্য পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে দেয়া জমি সঠিকভাবে কাজে লাগানো এবং বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে মিশনে প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সৃষ্টি করা।

জানা যায়, সরকার বিদেশি ৩২টি মিশনে ২০২৪ সালের মধ্যে নিজস্ব জমির ওপর ভবন নির্মাণ অথবা জমিসহ ভবন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনটি পর্যায়ে এসব মিশন নির্মাণ করার জন্য কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে ১৫টি মিশনের জন্য ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

sheikh mujib 2020