advertisement
আপনি দেখছেন

বিচ্ছেদের জের ধরেই রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পাকে ছাদ থেকে ফেলে দেয় তার প্রেমিক। রোববার রুম্পার প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এমনটাই জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক শাহ মো. আকতারুজ্জামান ইলিয়াস।

rumpa marder causeপুলিশের হাতে আটক রুম্পার প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকত

প্রাথমিক তদন্ত শেষে শাহ মো. আকতারুজ্জামান ইলিয়াস বলেন, রুম্পা ও সৈকতের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু দিনকে দিন তাদের এ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ৪ ডিসেম্বর বিকেলে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে দেখা করার সময় কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেন সৈকত। তখন রুম্পা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও সম্পর্ক রাখতে রাজি হচ্ছিলেন না সৈকত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য ও বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। পরে ওই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে সৈকত ও তার কয়েকজন সহযোগী রুম্পাকে ৬৪/৪ সিদ্ধেশ্বরীর বাড়িটির ছাদে নিয়ে যান। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সেখান থেকে রুম্পাকে তারা ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।

রুম্পার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সৈকতকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল ডিবি। তবে তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকার একটি গলি থেকে বেসরকারি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার (২২) লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার পরিবারের লোকজন লাশটি শনাক্ত করে।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। রুম্পার এক বান্ধবী জানায়, সৈকত তার প্রেমিক ছিল। পরে পুলিশ সৈকতকে আটক করে।