advertisement
আপনি দেখছেন

হাজিদের দেয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালে হজ পরিচালনায় অংশ নেয়া ১২১টি বেসরকারি হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দু’টি কমিটি। অন্যদিকে ১৭টি এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে মোয়াচ্ছাসা (মক্কাস্থ দক্ষিণ এশিয়া মোয়াল্লেম সংস্থা )। সৌদি আরবে স্থাপিত বাংলাদেশ হজ অফিসে হজ চলাকালীন সময় ভুক্তভোগী হাজিরা লিখিতভাবে এসব অভিযোগ দিয়েছিলেন।

hajj 2018

হজের সময় নিয়ম বহির্ভূতভাবে সৌদি আরবের মোয়াল্লেম অফিসকে অবহিত না করে অন্য আবাসনে হাজিদের সরিয়ে নেওয়া, হাজিদের আবাসনের ঠিকানা মোয়াল্লেম অফিসকে অবহিত না করা এবং হজ এজেন্সির প্রতিনিধি (মোনাজ্জেম) অথবা তার কোনো প্রতিনিধির মোয়াল্লেম অফিসে যোগাযোগ না করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও ত্রুটির অভিযোগ আনা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ হজ অফিসে হাজিদের দেয়া লিখিত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে অভিযুক্ত এজেন্সিগুলোর সাথে শুনানি করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় অর্থদণ্ড, সাময়িক স্থগিতাদেশ, লাইসেন্স বাতিলসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি প্রধান করা হয়ে থাকে এজেন্সিগুলোকে। অন্যদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের নিজেদের বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বক্তব্য নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

অভিযুক্ত এজেন্সিগুলো হলো স্টার ট্রাভেলস (লাইসেন্স নং ৩৬৪), হোসাইন এয়ার সার্ভিস (৮২৯), রাশা শারা ওভারসিজ (৩৬২), সাহারা ট্রাভেলস্ অ্যান্ড ট্যুর (৩৭৫), এম এস জারিফ এন্টারপ্রাইজ (৯৩৭), আল হাবিব হজ গ্রুপ (৬৪৫), ইন্টারন্যাশনাল এয়ার সলিউশন (৮৩৭), মারভেলাস এয়ার কিং (১০০৭), সেতু ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস (১১৮০), পলি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস (১১০৩), আকবর ট্রাভেলস (১৪৭০), মাইলস্টোন এয়ার সার্ভিস (১১২৬), এয়ার কানেকশন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস (২১৮), নাফিসা এয়ার ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল (১৪৮০), বিদেশ ভ্রমণ (৭০১), লিবানা এভিয়েশন (৯০৪) ও দেলোয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস।

মক্কা মোয়াচ্ছাসা অফিস থেকে পাঠানো চিঠিতে অভিযুক্ত এজেন্সিগুলোকে অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্দিষ্ট ই-মেইলে জানানোর জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত হজ এজেন্সিগুলোকে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ‘ই-হজ সিস্টেম’ থেকে ‘ইনেকটিভ’ করা হয়েছে। এর ফলে এসব এজেন্সি অভিযোগ সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের হজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।