advertisement
আপনি দেখছেন

সরিষার হলুদ ফুলে ছেঁয়ে গেছে দিগন্ত জোড়া মাঠ। অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে হলুদ সরিষার ফুল দোল খাচ্ছে, হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জন দোলা দিচ্ছে কৃষকের হৃদয়ে। বাম্পার ফলনের হাতছানিতে চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।

mustard cultivation

যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ জেলা সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। জেলায় সাধারণত বারি সরিষা-১৪ ও সরিষা-১৫, সোনালী সরিষা (এসএস-৭৫) ও স্থানীয় টরি-৭ চাষ হয়। জেলার আট উপজেলায় এবার ১২ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৯ হাজার ৭৭৫ হেক্টর জমিতে।

গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে সরিষা। এর মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর, ঝিকরগাছা উপজেলায় ২ হাজার হেক্টর, চৌগাছা উপজেলায় ১ হাজার হেক্টর এবং শার্শা, অভয়নগর, বাঘারপাড়া, মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলায় এক হাজার ৫০০ হেক্টর করে জমিতে সরিষার রেকর্ড পরিমাণ আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে সরিষার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এমনটি আশা করছেন কৃষকরা।

যশোর সদর উপজেলার পুলেরহাট এলাকার কৃষক শামসুর আলী বলেন, চলতি মৌসুমে দুই বিঘা বারি-১৪ সরিষা চাষ করেছি। সরিষায় ধানের চেয়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরের মতো এবারও আবাদ করেছি। বেশ ভালো ফুল ধরেছে। আশা করা যায় ফলন ভালো হবে।’

যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এমদাদ হোসেন শেখ জানান, যশোর জেলায় ১২ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। কৃষকের মাঝে ভালো মানের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার সরিষার ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি।

sheikh mujib 2020