advertisement
আপনি দেখছেন

টানা দুই মাস ধরে ঝাঁজ ছড়িয়ে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার নিচে নামলো। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পাইকারি বাজারে দেশি নতুন পেঁয়াজ ৬০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। যা খুচরা বাজারে ১১০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

desi new onionদেশি নতুন পেঁয়াজ

তবে দেশি পুরনো পেঁয়াজ প্রতি কেজি এখনো ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়বে। ফলে পুরনো পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে।

গতকাল রাজধানীর পেঁয়াজের পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রায় সকল আড়তেই দেশি নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। প্রতি কেজি দেশি নতুন পেঁয়াজ ৬০-৮০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারের ৮০-১০০, চীনের ৪০-৪৫ ও মিশরের পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

এদিকে পাইকারি বাজারে দাম কমার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর খুচরা বাজারেও। গতকাল ঢাকার বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি নতুন পেঁয়াজ ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গেলো সপ্তাহে ১৫০ টাকারও বেশি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারের ১০০-১২০ টাকা, মিশরের ১০০ ও চীনের পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

এ বিষয়ে শ্যামাবাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি আবদুল মাজেদ বলেন, বাজারে দেশি নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। নতুন পেঁয়াজ এখনো অপরিপক্ব হওয়ায় আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ বড় আকারের পরিপক্ক পেঁয়াজ পাওয়া যাবে। ফলে পুরনো পেঁয়াজের দামও কমে আসবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে দেশি পেঁয়াজের দাম ছিলো কেজি প্রতি ৫০-৫২ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা। ওইদিন ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানির মূল্য ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করলে পরদিন বাংলাদেশের বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৬৫ ও আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিক বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে ২৫০ টাকায় পৌঁছায়। তবে পেঁয়াজের দাম এখন কিছুটা কমতে শুরু করেছে।