advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 20 মিনিট আগে

সারা বছরই দেশে কম-বেশি ফুলের চাহিদা থাকে। শীতকাল ফুলের ভরা মৌসুম হওয়ায় এবং ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে এর চাহিদা আরো বৃদ্ধি পায়। তাই এবার ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ফুল বিক্রি করে কোটি টাকা লাভের আশা করছেন ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জের ফুলচাষিরা।

jhinaidah flowersঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় গাঁদা ফুলের চাষ

চলতি বছর ফুল চাষে নীরব বিপ্লব ঘটেছে কালীগঞ্জ উপজেলায়। ফুল চাষকে পেশা হিসেবে নিয়ে নিজেদের ভাগ্যও পরিবর্তন করেছেন সেখানকার অনেক কৃষক।

বর্তমানে উপজেলার শতাধিক কৃষক তাদের জমিতে কৃষিকাজের পরিবর্তে ফুল চাষ করছেন। এখানকার উৎপাদিত গাঁদা ফুলের ওপর রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও সিলেটের ফুল ব্যবসায়ীদের নির্ভর করতে হয়। এমনকি সারা দেশেও এখান থেকে ফুল সরবরাহ করা হয়। তাই দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এখানকার ফুলের চাহিদা।

ঝিনাইদহ কৃষি অফিসসূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলার ৬ উপজেলায় ২৫০ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ করেছেন কৃষকরা। চাষ হয়েছে গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, গ্ল্যাডিওলাসসহ বিভিন্ন জাতের ফুল। শুধু কালীগঞ্জ উপজেলায়ই চাষ হয়েছে একশ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফুল চাষ হয়েছে উপজেলার ফুলপল্লী নামে খ্যাত বালিয়াংগা, কোলা ও নলডাঙ্গা ও এলোচনপুর গ্রামে।

jhinaidah flowers 2ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় গাঁদা ফুলের চাষ

ফুলচাষিরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ফুল চাষ করতে তাদের খরচ হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর উৎপাদনের পর সেই ফুল ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে লাভই থাকে লাখ টাকার মতো। তাই এখানকার কৃষকরা কৃষিকাজের পরিবর্তে দিন দিন ফুল চাষের দিকে ঝুঁকছেন। আর এর ফলে এখানকার ফুলের চাহিদাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তারা আরো জানান, মৌসুমের পরেও ফুল সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে এটি চাষের মাধ্যমে তারা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন।

কালীগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, ফুল চাষ সম্পর্কে তারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। তাই কৃষকরাও সঠিকভাবে ফুল চাষ করে প্রতিনিয়ত লাভবান হচ্ছেন।

sheikh mujib 2020