advertisement
আপনি দেখছেন

বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরও এক বিচারপতির ছেলেকে সরাসরি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে গেজেট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে করা চ্যালেঞ্জের রিট শুনানি করতে অবশেষে সম্মত হয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রিট আবেদনটি শুনানি করতে সম্মত হন।

sumon high court judge sonব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, হাইকোর্ট ও বিচারপতি ছেলে মো. জুম্মান সিদ্দিকী

এর আগে পর্যায়ক্রমে হাইকোর্টের চারটি পৃথক বেঞ্চ রিট আবেদনটি শুনানি করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বৈত বেঞ্চ এতে সম্মতি দেন। আগামী মঙ্গলবার রিটটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসবে বলে জানান আদালত।

রোববার রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান ও ব্যারিস্টার অনিক আর হক।

পরে আইনজীবীরা জানান, রিট আবেদনটি নিয়ে গত নভেম্বর মাসে ২১ ও ২৬ তারিখ এবং ডিসেম্বর মাসে ১১ তারিখ হাইকোর্টের তিনটি পৃথক বেঞ্চে গেলে আদালত সেটি শুনতে বিব্রতবোধ ও অপারগত প্রকাশ করেন। সর্বশেষ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) প্রথমে হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল হোসেন চৌধুরীর বেঞ্চে গেলে তারাও রিট আবেদনটি শুনতে বিব্রতবোধ ও অপারগতা প্রকাশ করেন।

এর পরেই বিচারপতি তরিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বৈত বেঞ্চ আবেদনটি নিয়ে গেলে তারা সেটি শুনতে সম্মত হন।

উল্লেখ্য, বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরও এক বিচারপতির ছেলেকে সরাসরি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে গেজেট প্রকাশ করায় গত ২১ নভেম্বর এর বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

রিট আবেদনে বলা হয়, হাইকোর্টের বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর ছেলে মো. জুম্মান সিদ্দিকী কয়েকবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কিন্তু গত ৩১ অক্টোবর তাকে হাইকোর্টের আইনজীবী উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

তাই ওই গেজেট এবং ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডারের ২১(১) (খ) ও ৩০(৩) ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জুম্মান সিদ্দিকীসহ বার কাউন্সিলের সংশ্লিষ্টদের তাতে বিবাদী করা হয়েছে।