advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর কি কারণে রাজাকাদের তালিকার প্রয়োজন হলো প্রশ্ন করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহারের জন্যই রাজাকারের এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

fhokhrul in rallyনয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও নেতাকর্মীরা

বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীতে একটি বিজয় র‌্যালি বের করে বিএনপি। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনো দেশের জনগণের মুক্তি আসেনি। বর্তমান ভোটবিহীন সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই স্বাধীন দেশের জনগণ হয়েও মানুষ আজ দিশেহারা।

বিএনপির এ নেতা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের ধারক-বাহক বলে। অথচ এই দলটিই দেশের গণতন্ত্র গলাটিপে হত্যা করেছে। ১৯৭৫ সালে দলটি দেশে বাকশাল কায়েম করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ১৯৭৫ সালে যখন দলটি ক্ষমতায় ছিল তখন দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। দেশের মানুষ তখন না খেয়ে মারা গিয়েছিল। এখন আবার সেই আওয়ামী লীগই জোর করে ক্ষমতায় চেপে বসেছে। বিএনপির লাখ লাখ মানুষকে তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে বর্তমান সরকার দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে।

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে উল্লেখ করে ফখরুল আরো বলেন, বর্তমান সরকার প্রকৃত রাজাকারদের বাদ দিয়ে স্বাধীনতার ৮৪ বছর পর একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তালিকা তৈরি করেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এক বুক ক্ষোভ আর বেদনা নিয়ে আজ এই বিজয়ের এই র‌্যালিতে অংশ নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এই র‌্যালিতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। যিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি ছিলেন। অথচ তাকে ছাড়াই আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এই র‌্যালিতে অংশ নিতে হয়েছে।

এ সময় দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সবাইকে একত্রিত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনতে হবে। এ জন্য সকলকে সব বিভেদ ভুলে ইস্পাতের মতো কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং সরকারের পতন ঘটিয়ে প্রিয় নেত্রীকে মুক্ত করতে হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আব্দুস সালাম, দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

sheikh mujib 2020