advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) সভা আরো ভালো প্রস্তুতির জন্য সমঝোতার মাধ্যমে পিছিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘বেইজিং ঘোষণার’ ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

forien minister bd বক্তব্য দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন

পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার সভা হবে জানিয়ে ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, পরবর্তীতে হোমওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে সভার কথা জানিয়ে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, তারা জেআরসি সভার জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে মনে হয়েছে, কোথায় কোথায় জানি দুর্বলতা রয়ে গেছে। আর যথাযথ তথ্য ছাড়া বৈঠক ফলপ্রসূ হয় না।

ভারতের নাগরিকত্ব বিল (এনআরসি) প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নদী কমিশনের সভা পেছানোর সাথে এরআরসির কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার থেকে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে দুই দিনব্যাপী প্রতিবেশী দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের সভাটি হওয়ার কথা ছিল।

মূলত অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয় নিয়ে বার্ষিক এ বৈঠকে এবার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে ছয়টি অভিন্ন নদীর হালনাগাদ করা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আলোচনার কথা ছিল। ওই আলোচনার ভিত্তিতে দুই দেশ ছয়টি অভিন্ন নদীর রূপরেখা চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি নিত। ছয় নদীর মধ্যে রয়েছে- মুহুরি, মনু, ধরলা, খাওয়াই, গোমতি ও দুধকুমার।

এর আগে, ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেকার তিস্তা এবং ফেনী নামে দুটি নদীর পানি ভাগাভাগির চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছিল, কিন্তু তখনো কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। ইউএনবি।