advertisement
আপনি দেখছেন

পৌষ শুরু হতে না হতেই শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে সারা দেশ। শীতের ছোঁয়া লেগেছে রাজধানীতেও। হঠাৎ এমন শীতে স্থবির হয়ে গেছে জনজীবন। ঘন কুয়াশার চাদরে সূর্যের দেখা পাওয়াই ভার। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত বয়ে যাবে মৃদু এই শৈত্যপ্রবাহ, যার বিস্তার আরো কিছুটা বাড়তে পারে।

cold wave file pix

শীতের মৌসুমের শুরুতেই এই শৈত্যপ্রবাহে জেঁকে বসেছে শীত। আজ ভোরে চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর কুড়িগ্রামে ১০ দশমিক ৮।

বুধবার থেকে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, পাবনা, রাজশাহী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে। সূর্যের দেখাই পাওয়া যায়নি দেশের অনেক স্থানে। নীলফামারী, পঞ্চগড়সহ উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টিপাতেরও খবর পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার ভোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। আর তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

উত্তরাঞ্চলের আরেক জেলা কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

cold wave farmer

এদিকে রাজশাহী, ঈশ্বরদী, কুড়িগ্রাম ও যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও কমে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান নেয়।

শৈত্যপ্রবাহের পরশ লেগেছে রাজধানীতেও। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার বেড়ে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা আরো কমে যেতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (২২ ডিসেম্বর) থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ২৭ ডিসেম্বর থেকে বয়ে যেতে পারে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ, তখন তাপমাত্রা আবার হ্রাস পাবার সম্ভাবনা রয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহ কি?

কোনো স্থানের তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তারও নিচে নেমে এলে তাকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবং ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।