advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

হিমশীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে পঞ্চগড়ে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত তিন দিন ধরে চলমান এ মৃদু শৈতপ্রবাহে এ অঞ্চলটির মনুষরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

winter poor people

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, শনিবার সকালে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পাওয়া গেছে বিকাল ৩টায়।

জেলায় রাতে বৃষ্টির মতো শিশির পড়ছে। দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালক কাজে যেতে পারছেন না। শহরে লোকজনের উপস্থিতি ও রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচল কমে গেছে।

শহরের ফুটপাতসহ লেপ-তোশক ও শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। বিভিন্ন গলিতে অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে নিম্ন আয়ের লোকজনের সমাগম দেখা যাচ্ছে।

আলো ছায়া মার্কেটের পুরাতন গরম কাপড় ব্যবসায়ী মিজান, মিলন ও মোস্তফা জানান, প্রচুর মানুষ গরম কাপড় কিনছেন। মধ্যবিত্তরাও পুরোনো কাপড় কিনতে আসছেন।

এদিকে, শীতার্তদের মাঝে রাতে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি শুক্রবার গভীর রাতে বোদা উপজেলার সীমান্তবর্তী বড়শশী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল তুলে দেন।

সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘সরকারিভাবে বরাদ্দের কম্বল বিতরণ চলছে। রাতে বেছে বেছে শীতার্তদের মাঝেও শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে। আমরা আরও শীতবস্ত্র বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি।’ ইউএনবি।

sheikh mujib 2020