advertisement
আপনি দেখছেন

টঙ্গীর কহর দরিয়া খ্যাত তুরাগ তীরে কনকনে শীত উপেক্ষা করে চলছে ২০২০ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মুসল্লিরা ময়দানে মাটিকাটা, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার, খুঁটি গাঁথা, সামিয়ানা তৈরি, চট বাঁধাই, বয়ান মঞ্চ, বিদেশিদের জন্য কামরা নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ করছেন।

ijtema bigining

কনকনে শীতে খোলা মাঠে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে কি না জানতে চাইলে এক সাথী কামাল মোল্লা বলেন, যতই শীত আসুক ময়দানের কাজ বন্ধ নেই। শীত উপেক্ষা করেই কাজ করছি। শীত যত বেশি হবে, দ্বীনের কাজে সওয়াবও ততই বেশি হবে।

আরেক সাথী মাহবুব আলম বলেন, আল্লাহকে পেতে চাইলে একটু কষ্ট করতেই হবে, আর আল্লাহর জন্য কষ্ট করলে আল্লাহ তায়ালা রাজি খুশি হয়ে দুনিয়া ও আখেরাত সুন্দর করে দিবেন।

আগামী ১০ জানুয়ারি শুক্রবার শুরু হবে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে। এরপর ৪ দিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্ব ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে।

গতবারের ন্যায় এবারও প্রথম পর্বে মাওলানা জোবায়ের পন্থী মুসল্লিরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমার আয়োজন করবেন। এরপর মাঝে চারদিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা আয়োজন করবেন মাওলানা সা’দ এর অনুসারীরা।

মাওলানা জোবায়েরের অনুসারী ময়দানের মুরব্বি ডা. কাজী সাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ময়দানের সকল কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে ওলামা মাশায়েখে এবং বিদেশি মেহমানরা বাংলাদেশে অবস্থান নিয়ে দিনের দাওয়াতের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

ইজতেমা সফল করতে গাজীপুর সিটি মেয়র জাহঙ্গীর আলম ও স্থানীয় এমপি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছেন বলেও জানান তাবলীগ জামাতের এই মুরুব্বী।

এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, এবারও বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সেবায় সিটি কর্পোরেশন এর পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ময়দানে বালি ফেলা, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারসহ বিভিন্ন কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া আমি নিজে প্রতিদিন ময়দানের কাজের খোঁজ-খবর রাখছি।