advertisement
আপনি দেখছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ক্ষণগণনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।

hasina rehana joy

বক্তব্যের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ২০ বছরের সংগ্রাম ও ৩০ লাখ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। বাঙালি জাতি মুক্তি পেয়েছিল। সবাই রণাঙ্গণে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় পাকিস্তানিরা মেনে নিতে পারেনি। পরে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। জাতির পিতার এ নির্দেশ বাংলার জনগণ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন।

তখন ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধু যেভাবে নির্দেশ দিতেন সে অনুযায়ী দেশ চলতো। ফলশ্রুতিতে ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদাররা আত্মসমর্পণ করার পর আন্তর্জাতিক চাপে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল তারা। সে সময় বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারত সহায়তা করেছিল। শরাণার্থীদের আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়েছিলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পান। সেখান থেকে বিশেষ বিমানে করে লন্ডন যান। তারপর দিল্লি হয়ে আজকের এই দিনে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু বঙ্গবন্ধু দেশে না ফেরা পর্যন্ত সকলের কাছে মনে হয়েছিল স্বাধীনতার আনন্দ যেনো অধরা।