advertisement
আপনি দেখছেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের শিল্প, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো।

hasina at parlament

বুধবার জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ইউনেস্কো। জাতি হিসেবে দেশের জন্য এটি অত্যন্ত খুশির সংবাদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিবার্ষিক অ্যানিভার্সারি প্রোগ্রামের আওতায় ইউনেস্কো কোনো বিশেষ ঘটনা বা বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মের ৫০তম বা তদূর্ধ্ব বার্ষিকী উদযাপন করে। এই প্রোগ্রামের আওতায় ২০২০-২০২১ সালের জন্য ৫৯টি অ্যানিভার্সারি উদযাপনের প্রস্তাব হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের একটি কমিটি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন প্রস্তাব উত্থাপন করে। ২০১৯ সালের এপ্রিলে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এরপর গত ২৫ নভেম্বর প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়।

তিনি আরো বলেন, ইউনেস্কো জাতির পিতাকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক স্বীকৃতি দিয়ে তার জন্মশতবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর স্কুলজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়াকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

sheikh mujib 2020