advertisement
আপনি দেখছেন

গাঁজা জব্দ করে ধ্বংস করার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। ফলে যখন এগুলো পোড়ানো হয় তখন ধোঁয়ায় আদালতপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে স্থানীয় ও এলাকায় চলাচল করা মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই গাঁজা ধ্বংসে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা।

gaza air polluson

জানা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। কিছু নমুনা রেখে দিয়ে বাকিগুলো একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঢাকা সিএমএম আদালতের হাজতখানার বাইরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। প্রতি সপ্তাহে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার দুপুরের পর এ কাজ করা হয়। এ সময় আশপাশের এলাকা ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, পুলিশ, সাধারণ মানুষসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

এ ব্যাপারে খিলগাঁও থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ হোসেন বলেন, গাঁজা পোড়ানোর সময় আদালতপাড়ায় থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত এর বিকল্প ব্যবস্থা নেয়।

আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহে তিন দিন দুপুরের দিকে আদালত চত্বরে গাঁজা পোড়ানো হয়। তখন ধোঁয়ায় পুরো এলাকায় অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সে কারণে ওই এলাকায় চলাফেরা করা কষ্টকর হয়ে যায়। এর বিকল্প ব্যবস্থা করা জরুরি।

gaza air polluson1

বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, মামলার হাজিরা দিতে আদালতে আসা লাগে। কিন্তু এখানে আসার পর গাঁজা পোড়ানোর ধোঁয়ায় বেশ কয়েকবার অসুস্থ হতে হয়েছে।

সমস্যাটি থেকে পরিত্রাণের ব্যাপারে ঢাকার ভারপ্রাপ্ত মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) কায়সারুল ইসলাম বলেন, এখানে মাদক ধ্বংস করার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তাই পোড়ানো লাগে। তবে ইতোমধ্যে সরকারের কাছে ইনসিনারেটর মেশিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সেটি এসে গেলে মানুষের আর কষ্ট হবে না।

sheikh mujib 2020