advertisement
আপনি দেখছেন

গত ৩১ জানুয়ারি চালের রপ্তানি মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ প্রণোদনা দেয় সরকার। এরপরই চালের দাম এক দফা বেড়ে যায়। চলতি সপ্তাহে ফের আরো এক দফা বেড়েছে চালের দাম। তার আগে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়ার পর এক দফা বেড়েছিল। সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে চাল রপ্তানিতে আপত্তি তোলার পর আপাতত অনুমোদন বন্ধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

rice new 1

সরকারের নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে, ফের রপ্তানির অনুমোদন দিলে চালের দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দাম সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাবে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত সরু ও সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদন চেয়েছে। এ ব্যাপারে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমানারা খানুম বলেন, কৃষককে ন্যায্যমূল্য দেয়ার চিন্তা থেকেই প্রথমে চাল রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। কারণ তখন ধান-চালের দাম কম ছিল। কিন্তু গত এক মাসে দাম ফের বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানি বন্ধ করা হয়েছে।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, গত এক মাসে সরু চালের দাম ৫ শতাংশ বেড়ে কেজিতে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। মোটা চাল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হয়েছে। অন্য চালের দামও বেড়েছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রাইস মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম লায়েক আলী বলেন, কৃষক ও দেশের স্বার্থে চাল রপ্তানির অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার কেন রপ্তানি আটকে দিয়েছে, তা বোধগম্য নয়।

প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়ায় ফের মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহে কেজিতে ২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে গত বছরের ১-১৭ নভেম্বর অঞ্চলটিতে মিনিকেট চাল কেজিতে ৭ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। পরে প্রশাসনের নজরদারিতে দাম কমে ৪৬ টাকা হয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ফের ১ টাকা বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি সেই চাল আরো ১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি কুষ্টিয়া শাখা সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন বলেন, উত্তরাঞ্চলে এখন ধানের দাম অনেক। সেখানে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মণপ্রতি দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। তাই চালের দামও বাড়িয়ে দিতে হচ্ছে।

sheikh mujib 2020