advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে উত্তোলনযোগ্য মজুদ গ্যাস প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। যে পরিমাণ আছে তা দিয়ে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

elctrical minister at parlament

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে মজুদ গ্যাস আগামী ২০৩০ সালের পর আর সরবরাহ করা সম্ভব হবে না।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কারের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটি জেলার সীতাপাহাড় ভূগঠনে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ চলমান রয়েছে। শ্রীকাইল ইস্ট-১ অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান।

অনশোরের বিভিন্ন ব্লকে ২ডি সাইসমিক জরিপ করার জন্য ডিপিপি অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪টি (এসএস-০৪, এসএস-০৯, এসএস-১১ ও ডিএস-১২) ব্লকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির সঙ্গে উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই ব্লকগুলোতে সম্পাদিত দ্বি-মাত্রিক এবং ত্রি-মাত্রিক জরিপের ভিত্তিতে অগভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লকে ২০২১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চারটি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হবে বলে জানান নসরুল হামিদ বিপু।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সাংসদ হাবিবুর রহমান।

sheikh mujib 2020