advertisement
আপনি দেখছেন

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর পুরান ঢাকায় অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব- ৩। এ সময় ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক এনু ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুপন ভূঁইয়ার বাড়ি থেকে আরো পাঁচটি সিন্দুকভর্তি টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, এফডিআর ও ক্যাসিনোসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।

renu rupom al casino

সোমবার দিবাগত রাতে পুরান ঢাকার লালমোহন স্ট্রিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার ১১৯ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত এনামুল হক ও রুপন ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পাঁচটি সিন্দুক থেকে নগদ ১৫ কোটি টাকা, ৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার জব্দ করা হয়।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি সুজয় সরকার জানান, ঘটনাস্থলে র‌্যাবের অভিযান এখনও চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

বেলা ১১টায় এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলে জানান এএসপি সুজয় সরকার।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ‘ক্যাসিনোর ৩২ সিন্দুকের মালিক’ দুই ভাই এনামুল হক ভূঁইয়া এনু ও রুপন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ফকিরাপুলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের অংশীদার এনু-রুপনের একটি, বন্ধু হারুন-উর-রশিদ এবং কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের বাসা থেকে তিনটি সিন্দুক উদ্ধার হয়।

বানিয়ানগর মুরগিটোলা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে এনুর তিনটি সিন্দুক উদ্ধার করে র‌্যাব। ওই সিন্দুক থেকে ৫ কোটি টাকা, ৭৩০ ভরি সোনা ও ৬টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক ভূঁইয়া এনুর ৩২টি সিন্দুক রয়েছে জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, সম্প্রতি বংশালের ইংলিশ রোডের ‘শাবনাজ স্টিল কোং’ থেকে বিশেষ ফরমায়েশ দিয়ে এগুলো বানানো হয়।

সর্বশেষ অভিযানে বাকি সিন্দুকগুলোর মধ্যে আরও পাঁচটি উদ্ধার হলো।

র‌্যাব বলছে, এনু-রশীদ ও রুপনের ১৫টি বাড়ির তথ্য রয়েছে। তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, তাদের বাড়ির সংখ্যা ৩০ থেকে ৫০টি। এ ছাড়া কেরানীগঞ্জে ১০০ বিঘা ও ভারতের শিলিগুড়িতেও তাদের বিপুল পরিমাণ জমিজমা রয়েছে।

sheikh mujib 2020