advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশের ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড পিলখানা ট্র্যাজেডির ১১ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০০৯ সালের এইদিনে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তরে ঘটে যায় এক নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড। ওই বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় কিছু বিপথগামী বিডিআর সদস্যদের হাতে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জন।

pay tribute to martyrs in banani

আজ মঙ্গলবার পিলখান ট্র্যাজেডি উপলক্ষ্যে বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সেসব শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। সকালে রাষ্ট্রপতির পক্ষে শহীদদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম শামীম উজ জামান এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানান তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী।

এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

pay tribute to martyrs in banani 2

পুষ্পস্তবক অপর্ণ শেষে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্যালুট প্রদান করেন শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম এ দিনটি উপলক্ষে আজ বিজিবির রেজিমেন্টাল পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবির সদস্যরা কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন।

শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আগামীকাল বুধবার পিলখানার কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

sheikh mujib 2020