advertisement
আপনি দেখছেন

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে প্রায় ১৫৯৬ কোটি টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির এমডি পি কে হালদারসহ কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার আদালতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে হাজির হয়ে এ অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।

khondokar ibrahim khaled

তিনি বলেন, টাকাগুলো কোথায় গেছে তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে যারা প্রতিষ্ঠানে টাকা জমা দিয়েছিলেন তাদের এখন ফেরত দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে পিপলস লিজিংকে অবসায়ন করা হয়েছিল। এখন যদি ইন্টারন্যাশনাল লিজিংকেও অবসায়ন করা হয় তাহলে অর্থনীতির এ সেক্টরে বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে।

‘আমি মাত্রই প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব নিয়েছি। এ অবস্থায় ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব কিনা তা বলা যাচ্ছে না,’ যোগ করেন ইব্রাহিম খালেদ।

আদালতে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালকদের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট আহসানুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম বলেন, প্রতিষ্ঠানটির অনিয়মের বিষয়ে জানার পরপরই দুদক ও গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটও এর ওপর একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে পুরো প্রতিবেদন দেয়নি। এরই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ইব্রাহিম খালেদকে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের স্বাধীন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের একজন কর্মকর্তাকে আদালতে আসতে বলেন আপিল বিভাগ। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাস্তবিক অর্থে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অবস্থা কী রকম আছে, অবসায়ন হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু, আর্থিক অনিয়ম কোন পর্যায়ে আছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি এক আদেশের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড পরিচালনার জন্য স্বাধীন চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে নিয়োগ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বর্তমান এমডি পি কে হালদারসহ ১৩ পরিচালকের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দ করে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

sheikh mujib 2020