advertisement
আপনি দেখছেন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ক্রমশই আতঙ্ক বাড়ছে। ইতোমধ্যে চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে।

bangladesh biman dream liner 787

এমন প্রেক্ষাপটে যাত্রী সংকটে পড়েছে বিমানগুলো। এরইমধ্যে বাতিল হয়েছে অসংখ্য ফ্লাইট। যাত্রী সংকটে অনেক এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে।

যাত্রী না পাওয়ায় গত দুইদিনে দিল্লিগামী বাংলাদেশ বিমানের দুটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকের একটি ফ্লাইটে যাত্রী ছিল মাত্র ২৬ জন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফ্লাইটটি বাতিল করে বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। এছাড়া একই কারণে ঢাকা-কুয়ালালামপুরেরও একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক বলেন, ভাইরাসের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বিমানের যাত্রী সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। চায়না ইস্টার্ন ইতোমধ্যে ঢাকাগামী সকল ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চায়নাসহ আরো কয়েকটি দেশে যাওয়ার ফ্লাইট বন্ধ হলেও মধ্যপ্রাচ্যগামী কোন ফ্লাইট বন্ধ করার আপাতত কোন পরিকল্পনা নেই। তাছাড়া যাত্রীদের মধ্যে এমনিতেই এক ধরনের ভীতি কাজ করছে। ফ্লাইট বন্ধ করলে সেই ভীতি আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।