advertisement
আপনি দেখছেন

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, করোনাভাইরাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ। তাই এখনই তা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

chinese embassador dhaka li jiming

লি জিমিং বলেন, করোনাভাইরাস যেহেতু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়েছে সেহেতু বাংলাদেশ উচ্চ ঝুঁকির মুখে আছে।

আজ বুবধার সকালে কেরানিগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। পদ্মা সেতুর কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড (সিআরইসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ভাইরাসটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যেও ছড়িয়েছে, যেখানে (বাংলাদেশের) অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এখনই বাংলাদেশের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের কারণে পদ্মা সেতুর কাজে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে সে প্রভাব কাটাতে ছুটির দিনগুলোতে কাজ করে তা পুষিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, পদ্মা সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৩৯টির কাজ শেষ। বাকি আছে ১০, ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলার। ইতোমধ্যে মূল সেতুর ৩৬০০ মিটার স্প্যান দৃশ্যমান হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে সব পিলার স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পুরোপুরি কাজ শেষ না হলেও ২০২২ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে, তা নিশ্চিত করেই বলছেন প্রকল্প কর্তারা।

sheikh mujib 2020