advertisement
আপনি দেখছেন

রাজধানীর মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন শিক্ষিকা ফরিদা আক্তার। তার হাতে ও মাথায় ২১টি সেলাই পড়েছে। ঘটনায় তিনি ছাড়াও আহত হয়েছে আরো ১২ নেতাকর্মী। জড়িতদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

sorkari bangla college

জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। সাজেদুল ইসলাম রাজু নামে এক শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এরপর পুলিশ রাজুকে কলেজে না যাওয়ার শর্তে ছেড়ে দেয়।

পরবর্তীতে আজ বুধবার রাজু কলেজে গেলে তাকে ধাওয়া করে মানিকের অনুসারীরা। ধাওয়াকারীদের বাধা দেন ছাত্রলীগের আরেক নেতা হাফিজ আলম। তারপর শুরু হয়ে যায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ। আত্মরক্ষার্থে রাজু ও তার সহযোগীরা আশ্রয় নেন ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষিকা ফরিদা পারভীনের কাছে। ধাওয়াকারীরা শিক্ষিকার রুমে এসে রাজুকে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে গেলে বাধা দেন ফরিদা। এ সময় তার আঙুল ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। তার মাথাসহ শরীরের অন্যান্য স্থানেও গুরুতর আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি।

ফরিদা আক্তার বলেন, লাঠির আঘাতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। চেতনা ফেরার পর দেখি আমি পঙ্গু হাসপাতালে। এখন একটু সুস্থ বোধ করছি। আঘাতের কারণে আমার হাত ও পা কেটে গেছে।

দারুস সালাম থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, ঘটনায় আহত শিক্ষিকার হাত ও মাথায় ২১টি সেলাই দিতে হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে গেছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষ একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।