advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ যখন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে তখন কুয়েত সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশসহ ১০ দেশের নাগরিকরা সে দেশে ঢুকতে পারবে না যদি তাদের কাছে করোনামুক্তির সনদ না থাকে। দুদিনের মাথায় দেশটির মন্ত্রিসভা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। এর মধ্য দিয়ে কুয়েতে যাওয়ার আগে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করায় যেসব বাংলাদেশি বিপাকে পড়েছিলেন, তাদের সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।

corona kuwait

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কুয়েত সরকার বলছে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তারা এখন বাস্তব সমাধানের পথ খুঁজছে, যাতে তাদের নাগরিক ও যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এদিকে কুয়েতের এই সিদ্ধান্ত বদলের আগেই ঢাকায় কুয়েতগামীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে শনিবার সনদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত বুধবার অনেকেই ঢাকার কুয়েত দূতাবাসে গিয়েছিলেন এমন সনদের জন্য। সেখান থেকে তাদেরকে একটা ফরম দিয়ে পাঠানো হয় বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর)। কিন্তু আইইডিসিআর থেকে তাদের জানানো হয়েছিল, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। কুয়েত দূতাবাসও তাদের কিছু জানায়নি। এই ঠেলাঠেলির মধ্যে বিপাকে পড়েন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি, যারা ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।

সেই প্রেক্ষাপটে গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির প্রথম সভা হয়। সেখান থেকে জানানো হয়, ৭ মার্চ সকাল ১০টা থেকে মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে কুয়েতগামীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা শুরু হবে। তবে কুয়েত সিদ্ধান্ত বদলানোয় এখন এই পরীক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না।

sheikh mujib 2020