advertisement
আপনি দেখছেন

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে হজ সেবা বুথ উদ্বোধন করার সময় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

begum khaleda zia 1

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেত্রীকে জামিন দেয়ার ক্ষমতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেই। তাছাড়া আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই সাময়িক মুক্তির আবেদন পত্র আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ৪ মার্চ বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য সাময়িক মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি দেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। একই সঙ্গে চিঠির একটি অনুলিপি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, চিঠিতে খালেদা জিয়া ‘খুবই অসুস্থ’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তার দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। এ জন্য তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়া হোক। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তার পরিবার।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। সেইসঙ্গে ছিল জরিমানাও। পরে এ সাজা আপিলে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। ওই মামলায় তার ছেলে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ আরো ছয় জনের সাজা ও জরিমানা হয়।

অন্যদিকে, ওই বছরই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়। দুই মামলায় সব মিলিয়ে ১৭ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরো তিনটি মামলা এখনো বিচারাধীন।

প্রথম ১৩ মাস পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কেবিন ব্লকে গৃহকর্মী ফাতেমাও তার সঙ্গে রয়েছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি তার বন্দিদশার দুই বছর পূর্ণ হয়।