advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস শনাক্তে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে কোনো থার্মাল স্ক্যানার নেই। এই দুইটি স্থানে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ভাইরাস শনাক্তে শুধু হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার দিয়েই কাজ চলছে।

ctg port new

জানা যায়, শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার যাত্রী আসা যাওয়া করে থাকেন। তাদের জন্য মাত্র ৯ জন পালা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। যা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১৫ সালে এখানে একটি থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়। যা গত সাত মাস আগে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে করোনা শনাক্তে এখন ৫টি হ্যান্ডহেল্ড মেশিনই ভরসা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো থার্মাল স্ক্যানার নেই।

বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার মাহমুদ আকতার বলেন, চীন থেকে সরাসরি কোনো ফ্লাইট এখানে না আসলেও থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান হয়ে আসা ফ্লাইটগুলোর প্রতি নজর রাখা হচ্ছে। যেকোনো ঝুঁকি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। চিকিৎসক সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

shah amanat 1

বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এ জেড এ শরীফ বলেন, থার্মাল স্ক্যানার না থাকলেও তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরো পাঁচটি হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার সংগ্রহ করেছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, সেখানে করোনা শনাক্তে কোনো থার্মাল স্ক্যানার নেই। এক্ষেত্রে বন্দরে আসা বিদেশ ফেরত জাহাজগুলোতে থাকা নাগরিকদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রেখে তারপরই বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে।