advertisement
আপনি দেখছেন

ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করা বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করে এটির অনুমোদন দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

abrar fahad killing

বিষয়টি নিশ্চিত করে আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তা গেজেট আকারে প্রকাশ হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। পরে মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১৮ মার্চ দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর পরদিন মামলা করেন আবরারের বাবা।

এর পর ১৩ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে এ হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো.ওয়াহিদুজ্জামান। অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ছয়জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২২ জনকে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।

sheikh mujib 2020