advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যেন না ছড়ায় সেজন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু সেগুলো নার্স ও কর্মচারীদের না দিয়ে বহিরাগতদের দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

rangpur medical hospital newরমেক হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন সেখানে কর্মরত তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে তাদের কাছে ৩৩৮টি পিপিই হস্তান্তর করেছে কর্তৃপক্ষ। তারপরও ৩ শতাধিক কর্মচারী এখনো পিপিই পাননি বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে হাসপাতালে কর্মরত আছেন প্রায় ৬ শতাধিক কর্মচারী। তারা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ তাদের পিপিই না দিয়ে হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিরা নিজেদের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বহিরাগতদের দিচ্ছেন।

হাসপাতালের কয়েকজন নার্স অভিযোগ করে বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে এখন ৭৮৫ জন নার্স কাজ করেন। একাধিকবার চাওয়ার পর তাদের মাত্র দেড় শ’টি পিপিই দেয়া হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তারা নিজেদের টাকায় পিপিই কিনে নিয়েছেন। কেউ আবার নিজেই তা বানিয়ে নিয়েছেন।

কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও একই অভিযোগ করেন। তারা জানান, হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসকরা তাদের পুরো পরিবারের জন্য পিপিই নিয়ে গেছেন।

জানা যায়, হাসপাতালের স্টোরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিপুল পরিমাণ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কাজী ফার্মাসহ বেশ কয়েকটি বড় বড় প্রতিষ্ঠান থেকে আরো কয়েক শ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে স্টোর কিপার গণমাধ্যমকে বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে কর্তৃপক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা আছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম বলেন, সঠিক ব্যক্তিদের কাছে যেন পিপিই পৌঁছায় সেজন্য ধীরে ধীরে দেয়া হচ্ছে। আস্তে আস্তে সবাই তা পাবে।