advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ যাতে রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হতে না পারে তাই প্রবেশপথগুলোতে তারকাঁটার ব্যারিকেড দিয়েছে আইনশৃঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি ঢাকার ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড দিয়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।

barricade at capitalরাজধানীতে প্রবেশ বা বের হওয়া ঠেকাতে প্রবেশপথগুলোতে তারকাঁটার ব্যারিকেড দিয়ে নজরদারি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ছবি- সংগৃহীত

এর আগে তৈরি পোশাক কারখানা চালুর খবরে গত শনিবার সারাদেশ থেকে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। ফলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। পরে যদিও সমালোচনার মুখে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সকল গার্মেন্টস বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। তখন ফের শ্রমিকরা রাজধানী ছাড়তে শুরু করলে পুলিশের আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সংশ্লিষ্ট সকল ইউনিটকে নির্দেশনা দেন, কেউ যাতে ঢাকার বাইরে যেতে বা আসতে না পারে।

এরই প্রেক্ষিতে গত রোববার থেকে ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি যাতে ঢাকা ছাড়তে বা প্রবেশ করতে না পারে তা কঠোভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজধানীর ভেতরেও চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে জরুরি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যম ও খাদ্য সরবরাহ যান চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

barricade at capital 2রাজধানীতে প্রবেশ বা বের হওয়া ঠেকাতে প্রবেশপথগুলোতে তারকাঁটার ব্যারিকেড দিয়ে নজরদারি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর প্রবেশপথগুলোর মধ্যে বাবুবাজার, ঢাকা-মাওয়া রোডের পোস্তগোলা ব্রিজ, গাবতলী, কাঁচপুর ব্রিজ ও চিটাগাং রোডের বিভিন্ন স্থানে তারকাঁটার ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।

চেকপোস্টগুলোতে দায়িত্বরত একাধিক পুলিশ সদস্য জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে ঘরে থাকতে বলছে সরকার। একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তাই কেউকে ঢাকার বাইরে যেতে বা আসতে দেওয়া হচ্ছে না। ঢাকার ভেতরেও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।