advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কতদূর যাবে? এই প্রশ্নের একটা উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রোগ তত্ত্ববিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মিলে এমন একটি ভবিষ্যত প্রক্ষেপণ তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, মে মাসের শেষ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখে পৌঁছাতে পারে। এই সময়ের মধ্যে মারা যেতে পারেন ৮০০ থেকে ১ হাজার মানুষ।

health minister zahid malek 2স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

গত ২১ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদফতরে ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গৃহীত কার্যক্রম ও পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ওই সভায় অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এই ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণ তুলে ধরেন। এটি তৈরি করা হয়েছে ভাইরাসটির বর্তমান গতি-প্রকৃতি ও অন্যান্য দেশের আক্রান্তের হারসহ নানা বিবেচনায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, এটি মূলত করা হয়েছে সার্বিক প্রস্তুতির জন্য। যদি ১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয় তাহলে সেই অনুযায়ী কী পরিমাণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা লাগবে তার একটা খসড়া তৈরি করছি আমরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, আক্রান্তের ২০ শতাংশকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া লাগতে পারে। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার শয্যা প্রস্তুত করার কাজ চলছে। বর্তমানে প্রস্তুত আছে ৬ হাজার শয্যা।

abul kalam azad health departmentস্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে হাসপাতালগুলোকে যথাযথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালকে ইতোমধ্যেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সামনে এই সংখ্যা আরো বাড়বে। চেষ্টা চলছে চিকিৎসা ব্যবস্থাটা জেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার।

আজ বুধবারের ব্রিফিং অনুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭ হাজার ১০৩ জন। মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১৫০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ৬৪১ জন। এই সময়ের মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ৮ জনের।

sheikh mujib 2020