advertisement
আপনি দেখছেন

দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় পর চালু হল লঞ্চ। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন বলে কথা দিয়েছিলেন, কিন্তু অবস্থা তথৈবচ। বরং চালু হওয়ার প্রথম দিনেই আগের স্বাভাবিক অবস্থার চেয়েও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা গেছে। হুড়োহুড়ি করে ওঠা-নামা, গাদাগাদি করে বসা অব্যাহত আছে। টইটুম্বুর করে তবেই ঘাট থেকে ছাড়া হচ্ছে লঞ্চ।

launch full

লঞ্চ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সদরঘাটে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও। কিন্তু মানুষের হুড়োহুড়ি দেখা ছাড়া তাদের আর কিছু করার ছিল না। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন লঞ্চ বন্ধ থাকায় অনেক মানুষ ঢাকায় আটকে ছিলেন, এখন সবাই একসঙ্গে বেরিয়েছেন বাড়ির উদ্দেশে। স্বাভাবিকভাবেই প্রচুর ভিড় হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে যাত্রী কমে যাবে। পাশাপাশি আমাদের চেষ্টা তো অব্যাহত আছেই।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী লঞ্চের ডেকে চিহ্ন দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ এর বাইরে না বসে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! গা ঘেঁষাঘেঁষি করেই বাড়ি যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। পুলিশের সদস্যরা মাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানালেও সেটাতে কেউ কর্ণপাত করেনি। লঞ্চের দায়িত্বশীলরা যাত্রীদেরকে এ বিষয়ে বলতে গেলে তারা বিরক্ত প্রকাশ করে।

in out

তবে সরকার এবং লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার যথেষ্ট ব্যবস্থা রেখেছে। তৈরি করা হয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লঞ্চজুড়ে ছিটানো হয়েছে জীবাণুনাশক দ্রব্য। কিন্তু যাত্রীদের অসচেতনতায় এসব ব্যবস্থার কোনো মূল্য থাকছে না।

sheikh mujib 2020