advertisement
আপনি দেখছেন

চীনের সঙ্গে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো নেই। দেশ দুটির মধ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের 'বিকল্প' গন্তব্য হতে পারে বাংলাদেশ। সোমবার সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সঙ্গে এক ফোনালাপে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ak momen with maik pompeoমার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিক দিয়েই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্কও ছিন্ন করছে। ফলে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। আর সেই শূন্যতা কাটাতে চীনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপূর্ব পরিবেশ বিরাজ করছে। তাতে যুক্তরাষ্ট্র অবাধে বিনিয়োগ করতে পারে।

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চেম্বার অব কমার্স বাণিজ্যসহ এসব বিষয় দেখাশোনা করে থাকে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের উচিত তাদের সঙ্গে এ নিয়ে কার্যকর আলোচনা শুরু করা।

এ সময় রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে ও তাদের ফিরিয়ে নিতে ব্যর্থতার জন্য মিয়ানমারের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের আহ্বান জানিয়ে ফোনালাপে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত মিয়ানমারের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা।

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা সঙ্কটে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৮২০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঠাঁই দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের উদারতার প্রশংসা করেন তিনি। তবে মিয়ানমারের জিএসপি সুবিধা বাতিল করার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

রোহিঙ্গারা যেন সম্মানের সঙ্গে এবং নিরাপদে মিয়ানমারে তাদের বসতভিটায় ফিরে যেতে পারেন, সে জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার বিষয়ে আলোচনায় একমত হন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রায় ৪০ মিনিটের ওই ফোনালাপের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও তুলে ধরা হয়েছে।

sheikh mujib 2020