advertisement
আপনি দেখছেন

ওয়াসার বর্ধিত পানির দাম আদায়ে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, তা ১৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে প্রায় ২৫ শতাংশ বর্ধিত দাম আদায়ে ওয়াসার সামনে কোনো বাধা থাকলো না।

bangladesh high court new 2019সুপ্রিম কোর্ট

আজ মঙ্গলবার ভার্চ্যুয়াল চেম্বার কোর্টের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ গত ১৫ জুন চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে পানির দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বাড়ানো সংক্রান্ত ওয়াসার বিজ্ঞপ্তির বৈধতা নিয়ে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইনের কয়েকটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। গত ২২ জুন হাইকোর্ট কার্যকর হওয়া ওয়াসার পানির বর্ধিত দাম আদায়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেন।

ওয়াসা কর্তৃপক্ষ এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে। গত ২৩ জুন তা চেম্বার আদালতে কোর্টে উঠে। ওই দিন আদালত ৩০ জুন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। সে অনুযায়ী আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

dhaka wasa logo newওয়াসার লোগো

ওয়াসার পক্ষে এদিন শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে, রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক। এ সময় রিট আবেদনকারী আইনজীবী তানভীর আহমেদ তার সঙ্গে ছিলেন।

পরে আইনজীবী মাহবুবে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশ ১৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ওয়াসার পানির বর্ধিত দাম আদায় করা যাবে।

ওয়াসার ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইনের ২২(১) ও ২২(৩) ধারা অনুযায়ী উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয়ের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যর সামঞ্জস্যবিধান এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতি খরচ সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতি ১০০০ লিটার পানির অভিকর (দাম) আবাসিকে ১১ টাকা ৫৭ পয়সার স্থলে ১৪ টাকা ৪৬ পয়সা করা হলো। এ ছাড়া বাণিজ্যিকে এই অভিকর ৩৭ টাকা ৪ পয়সার স্থলে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হলো। উল্লিখিত আইনের ২৩ ধারা অনুসারে সংশোধিত এই অভিকর (মূল্য) ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।

sheikh mujib 2020