advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে করোনার সংক্রমণ দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী অথচ পরীক্ষার সংখ্যা নিচের দিকে নামছে। ল্যাব বাড়ানো হলেও সে অনুযায়ী বাড়ছে না নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা। এক্ষেত্রে কিট সংকটের কথা আলোচনা হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। নতুন সমস্যা হিসেবে যোগ হয়েছে নমুনা না পাওয়া। সরকারিভাবে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা তুলে দিয়ে ফি নির্ধারণের পর থেকেই নমুনা পাওয়া যাচ্ছে না আগের মতো। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে থেকে এমন খবর বেশি আসছে।

sample test in bangladesh

করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে ফি নির্ধারণের ব্যাপারে দেশের বিশেষজ্ঞ মহল আগাগোড়াই বিরোধিতা করে আসছেন। তারা বলছেন, সংক্রমণের চূড়ান্ত সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না। এতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, উপরন্তু এখন যাদের কোনো রোজগার নেই তারা ২০০ টাকা খরচ করে নমুনা পরীক্ষা করবে না। ঘটছেও তাই, প্রান্তিক অঞ্চলে পর্যাপ্ত নমুনা পাচ্ছে না ল্যাবগুলো। সঙ্গত কারণেই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলা ও নারায়ণগঞ্জে যথেষ্ট নমুনা পাওয়া যায়নি গত কয়েকদিন। চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিসেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবের প্রধান ডা. শাকিল আহমেদ বলেন, আমরা প্রতিদিন নমুনা পেতাম ৫০০-৫৫০টির মতো। ফি নির্ধারনের পর পাচ্ছি ৩৫০-৪০০ নমুনা। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৩০ জুন আমরা নমুনা পেয়েছি ৪১৮টি, ১ জুলাই ৩৬৩টি। গতকাল সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ২২৪টিতে।

bd update 8may

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন রোগী শনাক্ত করতে গিয়ে যদি ১০ থেকে ৩০ জন মানুষকে পরীক্ষা করা হয় তাহলে সেটাকে পর্যাপ্ত বা যথেষ্ট পরীক্ষা বলা যাবে। বাংলাদেশে এখন যে হারে পরীক্ষা হচ্ছে সেটা তার ধারেকাছেও নয়। দেশে একজন রোগী শনাক্ত করতে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে ৫ দশমিক ২৩টি।

sheikh mujib 2020