advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের পর এবার লকডাউন করা হয়েছে পুরান ঢাকার ওয়ারী। সম্প্রতি রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। আগামী ২১ দিন অর্থাৎ ২৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন।

restrictions in wari dhakaওয়ারীতে লকডাউন কার্যকর

ওয়ারীর আটটি এলাকা বা গলি এই লকডাউনের আওতায় থাকবে। সেগুলো হলো- টিপু সুলতান রোড, যোগীনগর রোড ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন), লারমিনি স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিট, ওয়্যার স্ট্রিট, র‌্যাংকিন স্ট্রিট ও নবাব স্ট্রিট।

লকডাউন কার্যকর হওয়ায় ওইসব এলাকায় চলাচলে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে যেতে পারবে না। যেতে হলে উপযুক্ত প্রমাণপত্র লাগবে। তবে ই-কর্মাসের মাধ্যমে আসা জরুরি জিনিসপত্র পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

wari old town dhakaরাজধানীর ওয়ারীতে লকডাউন শুরু

এ ছাড়া ওষুধের দোকান ব্যতীত অন্যান্য দোকানপাট, বিপণি বিতান- এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে। অবরুদ্ধ এলাকায় আগামী ২১ দিন থাকবে সাধারণ ছুটি। ফলে ওই এলাকায় থাকা সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং কল-কারখানা বন্ধ থাকবে। সেইসঙ্গে এসব এলাকায় বসবাস করা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটির আওতায় থাকবেন।

শনিবার সকালে ওয়ারী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেকটি অলিগলির প্রবেশমুখে বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি প্রবেশের জন্য খোলা রাখা হয়েছে র‍্যাংকিং স্ট্রিটের টিপু সুলতান রোড এবং হট কেক গলি। লকডাউন ঠিকভাবে বস্তাবায়ন তথা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় স্থানীয় কাউন্সিলরের নির্দেশে দুই শ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের ৫০ জন প্রতি শিফটে কাজ করছেন।

পুলিশ বলছে, লকডাউন শুরু হওয়ায় রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া মানা। আর তা কার্যকরে এলাকায় সব ধরনের চলাচল তথা প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রয়েছে সেনা টহল।

বলধা গার্ডেনের কাছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও পুলিশের একটি কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে।

ওয়ারী থানার সাব-ইন্সপেক্টর জহির হোসেন জানান, সকাল ৬টা থেকে কঠোর অবস্থানে আছে পুলিশ। নির্দেশনা অনুযায়ী, এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে এই এলাকায় অবস্থানরত চিকিৎসক, নার্স গণমাধ্যমকর্মী এবং যাদের একান্তই জরুরি প্রয়োজন তারা যথাযথ প্রমাণ দেখিয়ে এলাকার বাইরে যেতে ও আসতে পারবেন।

sheikh mujib 2020