advertisement
আপনি দেখছেন

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পরে আরোপিত বিধিনিষেধ স্থগিতের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে প্রতিষ্ঠানটি। সেই রিট আজ কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

grameenphone hogh court

আজ সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিটটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়ার আদেশ দেন। ফলে গ্রামীণফোনকে দেয়া বিটিআরসির বিধিনিষেধ বলবৎ থাকছে।

আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাকিব।

এর আগে গত ২১ জুন মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের ওপর দুটি বিধিনিষেধ আরোপ করে বিটিআরসি। তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতা প্রবিধানমালা-২০১৮ এর অধীনে এসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

grameenphone btrc high court

সেখানে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে গ্রামীণফোন আগাম অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের নতুন সেবা, অফার কিংবা প্যাকেজ দিতে পারবে না। বর্তমানে চলমান প্যাকেজগুলোও আবার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। এ ছাড়া নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল করলে গ্রামীণফোনের লকিং পিরিয়ড হবে ৬০ দিন। যা অন্য অপারেটরগুলোর ক্ষেত্রে ৯০ দিন।

প্রসঙ্গত, কোনো মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসংখ্যা, রাজস্ব অথবা তরঙ্গ এ তিন ক্ষেত্রের একটিতে ৪০ শতাংশের বেশি বাজার হিস্যাধারী হলে, তখন ওই প্রতিষ্ঠানকে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করা যায়। এক্ষেত্রে গ্রামীণফোন গ্রাহকসংখ্যা ও রাজস্বের দিক দিয়ে ৪০ শতাংশ বাজার হিস্যাধারী।

sheikh mujib 2020