advertisement
আপনি দেখছেন

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ শাহেদ পলাতক আছেন। করোনার এই ক্রান্তিকালেও ‘ভুয়া রিপোর্ট’ দিয়ে মানুষের কাছে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। গ্রেপ্তারের জন্য তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। এদিকে গতকাল রাতে তার বাবা সিরাজুল করিম মহাখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। কয়েক ঘণ্টা পর মোহাম্মদ শাহেদের কর্মচারী পরিচয়ে দুজন ব্যক্তি এসে মৃতদেহ নিয়ে যান।

shahed regent new

গত দুই দিন আগ থেকেই শাহেদের বাবা সিরাজুল করিমের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। কিন্তু তার অভিভাবক হিসেবে কাউকে পাচ্ছিলেন না চিকিৎসকরা। এমনকি মৃত্যুর সময়ও সেখানে কোনো আত্মীয়-স্বজন ছিল না। ছেলে শাহেদের ফোন ৩ দিন ধরে বন্ধ। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, গত ৪ জুলাই বাবা সিজাজুল করিমকে হাসপাতালে নিয়ে আসে মোহাম্মদ শাহেদ। রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক পরিচয় দেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানতে চান, কেন নিজের হাসপাতালে ভর্তি না করে বাবাকে অন্য জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে? উত্তরে শাহেদ জানান, তার হাসপাতালে ডায়ালিসিসসহ অন্যান্য সেবার ব্যবস্থা নেই, তাই ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় সেখানে বাবাকে ভর্তি করেননি।

regent hospital dhaka

ভর্তি করার পর প্রথম দুই দিন বাবার খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন শাহেদ, তারপর থেকে তিনি সম্পূর্ণ লাপাত্তা। ৬ ও ৭ জুলাই দুজন ব্যক্তি শাহেদের কর্মচারী পরিচয়ে সিরাজুল করিমের খোঁজ-খবর নিয়ে চলে যান, তারাও আর ফিরেননি। ওই সময় রোগীর করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এতে করে আরো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন চিকিৎসকরা। তারা রোগীকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর তাকে বাঁচানো যায়নি।

sheikh mujib 2020