advertisement
আপনি দেখছেন

স্বাস্থ্যখাতে ঠিকাদারদের দৌরাত্ম্য নিয়ে কথা হচ্ছে অনেক আগে থেকেই। তবে করোনার কারণে সেটা এবার বাস্তবে প্রত্যক্ষ করলো দেশবাসী। নানা অনিয়ম আর দুর্নীতি করে ঠিকাদাররা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন, অন্যদিকে স্বাস্থ্যখাত ভঙ্গুর থেকে ভঙ্গুরতম হয়েছে, ভেঙ্গে পড়েছে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুধুমাত্র কয়েকটি সরকারি মেডিকেল কলেজ থেকেই ঠিকাদাররা আত্মসাৎ করেছেন ১০০ কোটি টাকা।

bangladesh risky health department

স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই খাতে দুর্নীতি হয়েছে সীমাহীন, সরকারি হাসপাতাল সেখানে একটা উৎস মাত্র। এছাড়াও আরো কয়েকটি মাধ্যম মিলে গত কয়েক বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে এই খাত থেকে। ঠিকাদারদেকে অবৈধ কর্মকণ্ডে সাহায্য করে কিছু অসাধু কর্মকর্তা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানাভাবে এই লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নিম্নমানের মালামাল গছিয়ে দেওয়া হয় অস্বাভাবিক দামে। চীন বা ভারতের তৈরি মালামাল চালিয়ে দেওয়া হয় ইউরোপ-আমেরিকার মালামালের কথা বলে। এমনও হয়েছে, হাসপাতালে ঢোকানোর পর ওই যন্ত্র আর কাজই করেনি। এতদিন পর এই করোনাকালে এসে সেসব অকেজো আর নিম্নমানের যন্ত্রপাতির ‘ফল’ ভোগ করছে দেশের কোটি কোটি মানুষ।

update 22april

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যখাতের শীর্ষ পদগুলোতে যারাই আসেন তারা কিছুদিন পর সিন্ডিকেটের অংশ হয়ে যান। একসময় ঠিকাদারদের অঙ্গুলি হেলনেই তারা ওঠ-বস করেন। ওই কর্মকর্তাদের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানে যন্ত্রপাতির প্রয়োজন না থাকলেও চাহিদা তৈরি করা হয়। তারপর শুরু হয় টেন্ডার কারসাজি। নানা কৌশলে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়, তারপর তারা গছিয়ে দেয় যাচ্ছেতাই মালামাল।

sheikh mujib 2020