advertisement
আপনি দেখছেন

বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের দায়ে অভিযুক্ত পলাতক আসামি রাজধানীর বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. শাহেদ করিমের আইন অনুযায়ী বিচার চাইলেন তার স্ত্রী সাদিয়া আরাবি রিম্মি। স্বামীর এমন অপকর্ম ও প্রতারণার কারণে তিনি নিজে এখন খুবই লজ্জিত এবং দুঃখিত বলেও জানান।

regent shahed karim newমো. শাহেদ করিম

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পেশায় ফিজিওথেরাপিস্ট সাদিয়া আরাবি রিম্মি বলেন, সর্বশেষ চার দিন আগে শাহেদ ফোন দিয়ে জানান তিনি একটি জায়গায় রয়েছেন এবং ভালো আছেন। পরিবারের সদস্যদের সাবধানে থাকতে বলে ফোন রেখে দেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কথা হয়নি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তার কর্মকাণ্ড নিয়ে পরিবারের লোকজন নাখোশ ছিল। এসব বিষয় নিয়ে ২০০৮ সালের দিকে তার সঙ্গে একবার ঝামেলা হয়। তখন দুই বছরের জন্য বাপের বাড়ি গিয়ে থাকি। এরপর ২০১০ সালে আবার শাহেদের সংসারে ফিরে আসি।

পরিবারের সবাই মনে করেছিল, শাহেদ বদলে গেছে। গত তিন-চার বছর ধরে বাইরে থেকে তাকে দেখে সবাই এ ধারণাই করতেন। কিন্তু রিজেন্টে চিকিৎসার নাম করে যা সামনে এলো তাতে এটা স্পষ্ট যে, সে বদলায়নি। নিজেসহ পরিবারের সদস্যরা মিলে তাকে বদলানোর জন্য শত চেষ্টা করি।

regent hospital 1

বাইরের বিষয় শাহেদ বাসায় আলাপ করতো না জানিয়ে তার স্ত্রী বলেন, এসব ব্যাপারে বিশ্বস্ত কর্মচারীদের ট্রেনিং দেয়া ছিল। মাঝেমধ্যে তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে যাওয়া হতো। তবে আমার কোনো পদ নেই। তারপরও সবাই মুখে মুখে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতো।

তিনি বলেন, শাহেদ মানুষকে দ্রুত প্রভাবিত করতে পারতো। সে জন্যই হয়তো নানা সময় নানা পরিচয় দিয়ে সুবিধা আদায় করতো। তার এসব অপকর্ম আবার সামনে আসায় পরিবারের কেউই প্রস্তুত ছিল না। ভালো পরিবারের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও সে বিপথগামী হয়ে যায়।

sheikh mujib 2020