advertisement
আপনি দেখছেন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, কমিশনের কাছে আইনগত কোনো সুযোগ নেই, যার ফলে নির্বাচন পেছানো যাবে। অবশ্য রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতির শরণাপন্ন আমরা হয়েছিলাম। নির্বাচন না করার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তিনিও।

nurul huda cec electionসিইসি কে এম নূরুল হুদা, ফাইল ছবি

আজ শনিবার যশোরের কেশবপুরের আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এবং প্রার্থীদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সিইসি নূরুল হুদা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়, বরং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই করোনা সংকটের মধ্যেও উপ-নির্বাচন আয়োজন করতে হচ্ছে।

cec jessor electionযশোরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে সিইসি

এর আগে মতবিনিময় সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, করোনার সংকট আছে, আরো অনেকদিন থাকবে। কিন্তু তাই বলে তো ততদিন সবকিছু বন্ধ রাখা যাবে না। দৈনন্দিন কাজ যেমন চলছে, সে রকম নির্বাচনও একটা কাজ এবং সেটাও এর মধ্যেই করতে হবে।

ভোটাররা যেন যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটকেন্দ্রে আসে, সেজন্য প্রচারণা চালাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন সিইসি। সেইসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে মাস্ক খুলে ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান তিনি।

যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহমেদ খান এবং খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন প্রমুখ।

sheikh mujib 2020