advertisement
আপনি দেখছেন

রাজধানীসহ সারাদেশে বাজার তদারকিমূলক অভিযান পরিচলানা করে ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের ৮১টি বাজারে অভিযান চালিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩ লাখ ১৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

karwanbazar raidকারওয়ান বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল স্যাভলন ধ্বংস করছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যের মূল স্থিতিশীল ও ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে রাখতে এবং নকল ও ভেজাল পণ্য বিক্রি প্রতিরোধে এ বাজার তদারকিমূলক কর্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষে থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আজ রাজধানীসহ সারাদেশে বাজার তদারকিমূলক কার্যক্রম পরিচালা করেছে। দেশের ৮১টি বাজারে চালানো এ অভিযানে ভেজাল ও নকল পণ্য বিক্রি, পণ্যের অতিরিক্ত দাম গ্রহণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অভিযোগে ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

fake savlonনকল স্যাভলন- ফাইল ছবি

ছুটির দিনে সারাদেশে এ অভিযানের পরামর্শ দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন এবং এর নির্দেশনা দেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডিজি বাবলু কুমার সাহা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও বিকাশ চন্দ্র দাস এবং সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল।

কারওয়ান বাজারে অভিযান পরিচালনাকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানে নকল স্যাভলন (স্যালভো, স্যালভি ও স্যালভন নামযুক্ত) ভেজাল স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পাওয়া যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির গোডাউন থেকে ১২ কার্টুন নকল জীবাণুনাশক জব্দ করা হয়। ভেজাল ও নকল পণ্য বিক্রির দায়ে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন বিভাগের উপ-পরিচালক, জেলার সহকারী পরিচালকসহ ৪২ জন কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ডিজি বাবলু কুমার সাহা বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বাজারে পণ্যের দাম ঠিক রাখতে এবং ভেজাল পণ্য বিক্রি বন্ধ করতে এ বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বিক্রেতাদের ভেজাল পণ্য বিক্রি না করা এবং পণ্যের দাম বেশি না রাখার জন্য আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এ ক্রান্তিকালেও নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করায় ব্যবসায়ীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

sheikh mujib 2020