advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে করোনার মহামারির মধ্যেই আগামী ১৪ জুলাই বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) এবং যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপ-নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে যাবতীয় নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোনো দলের সুবিধার জন্য নয়, বরং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই সংকটময় পরিস্থিতিতেও নির্বাচন করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

cec nurul huda 2019 marchসিইসি কে এম নুরুল হুদা

তবে ভোট দিতে এসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে কিংবা আক্রান্ত হলে তার দায় ইসি নেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

তিনি বলেছেন, এ জন্য ভোটারদেরই অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তবে ইসির পক্ষ থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলায় হাত ধোয়াসহ সুরক্ষাসামগ্রীর ব্যবস্থা করা হবে।

শনিবার বিকেলে উপনির্বাচন উপলক্ষে বগুড়া-১ আসনের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি। বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ করতোয়ায় সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

cec jessor electionযশোরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে সিইসি

এক প্রশ্নের জবাবে কে এম নুরুল হুদা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা সংকটের মধ্যেই নির্বাচন হয়েছে। সুতরাং আমাদের দেশেও নির্বাচন হওয়ায় কোনো সমস্যা নেই। ভোটকেন্দ্রগুলো ভোট গ্রহণের উপযোগী করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোট নেওয়া হবে।

এর আগে দুপুরে যশোর-৬ আসনে সিইসি বলেন, কমিশনের কাছে আইনগত কোনো সুযোগ নেই, যার ফলে নির্বাচন পেছানো যাবে। অবশ্য রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতির শরণাপন্ন আমরা হয়েছিলাম। নির্বাচন না করার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তিনিও।

সিইসি নূরুল হুদা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়, বরং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই করোনা সংকটের মধ্যেও উপ-নির্বাচন আয়োজন করতে হচ্ছে।

sheikh mujib 2020