advertisement
আপনি দেখছেন

করোনার চিকিৎসার নাম করে ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এখনো পলাতক আছেন বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. শাহেদ করিম। তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

regent shahed mdরিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ ও চেয়ারম্যান শাহেদ (ডানে)

এরই মধ্যে শাহেদের প্রতারণার অন্যতম সহযোগী মামলার ২ নম্বর আসামি রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

তথ্যটি নিশ্চিত করে র‌্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করা হবে।

গত ৭ জুলাই রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় দণ্ডবিধি ৪০৬/৪১৭/৪৬৫/৪৬৮/৪৭১/২৬৯ ধারায় হাসপাতালটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে র‌্যাব।

regent hospital

সেই মামলায় ইতোমধ্যে শাহেদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রিজেন্ট গ্রুপের মুখপাত্র তারেক শিবলীকে ঢাকার নাখালপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরো আট জনকে হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় আটক করা হয়। পরে তাদেরকেও ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মো. শাহেদের বিদেশ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তাকে এখন খোঁজা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাহেদকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, নয়তো গ্রেপ্তার করা হবে।

এদিকে শাহেদের বিচার চেয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন তার স্ত্রী সাদিয়া আরাবি রিম্মি। স্বামীর এমন অপকর্ম ও প্রতারণার কারণে তিনি নিজে এখন খুবই লজ্জিত এবং দুঃখিত বলেও জানিয়েছেন।

sheikh mujib 2020