advertisement
আপনি দেখছেন

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠে ১৯৩তম ঈদুল আজহার জামাত হচ্ছে না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই কারণে ঈদুল ফিতরের নামাজও অনুষ্ঠিত হয়নি। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক এবং শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী এ কথা জানিয়েছেন।

eid jamaat sholakiaশোলাকিয়ায় ঈদের জামাত, ফাইল ছবি

তিনি জানান, শোলাকিয়ার ঈদের জামাতে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। অন্যদিকে দেশে করোনার ভয়াবহতা দিন দিন বাড়ছে। সুতরাং মুসল্লিদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ শোলাকিয়ায় এবারের ১৯৩তম ঈদুল আজহার জামাত হচ্ছে না।

সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল আজহার জামাত বড় পরিসর অথবা উন্মুক্ত স্থানে হবে না। সেই অনুযায়ী শোলাকিয়া মাঠে না হয়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে জেলা শহর ও উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

sholakia blunkশোলাকিয়ার খালি মাঠ

জানা যায়, শোলাকিয়া মাঠে ঈদ জামাত শুরু হওয়ার পর থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে প্রথমবার গত ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার ১৯৩ তম ঈদুল আজহার জামাতও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

১৮২৮ সালে শোলাকিয়া মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেন। তখন থেকেই মাঠটির নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’। যা পরবর্তীতে শোলাকিয়া নামে পরিচিত লাভ করে। সেই থেকে এই প্রথম মাঠটিতে ঈদের নামাজ (ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা) অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

sheikh mujib 2020