advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস শনাক্তে কিটের সংকট হতে পারে এমন শঙ্কা থেকে কিটসহ অন্যান্য মেডিকেল সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৪০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ বিভাগ। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে এ পরিমাণ টাকা ছাড় দেয়া হয়েছে।

covid kitকরোনা কিট

জানা গেছে, সম্প্রতি সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপো বা কেন্দ্রীয় ঔষধাগার থেকে শঙ্কা প্রকাশ করে কিটের সংকটের কথা বলা হয়। এমনটা হলে করোনা মোকাবেলায় বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছে তারা। সেই প্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই অন্য খাত থেকে এ টাকা ছাড় করে অর্থ বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবালয় অংশে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ খাতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে ৪০০ কোটি টাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে পুনঃউপযোজনের অনুরোধ জানানো হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সারাদেশে আরটি পিসিআর ল্যাবের জন্য টেস্টিং কিট, সোয়াব স্টিক ক্রয় কার্যক্রম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে বিরতণ করা হয়। সে অনুযায়ী প্রস্তাবিত অর্থ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের অনুকূলে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ খাতে পুনঃউপযোজন করা প্রয়োজন। আর সেটিতে কিছু শর্তের সঙ্গে সম্মতি দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

bangladesh risky health department

শর্তগুলো হলো-

=) অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে দ্য পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং দ্য পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

=) অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম উদঘাটিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।

=) এ অর্থ প্রস্তাবিত খাত ব্যতীত অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না।

=) অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) যথাসময়ে সমর্পণ করতে হবে।

=) পুনঃউপযোজনকৃত অর্থ চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সংশ্লিষ্ট কোডে সমন্বয় করতে হবে। জারিতব্য সরকারি আদেশে সমন্বয় কোড উল্লেখ করতে হবে। উপযোজনকৃত অর্থ অব্যয়িত অর্থের মধ্যে সীমিত রয়েছে তা নিশ্চিত করে বিল পরিশোধ করতে হবে।

sheikh mujib 2020