advertisement
আপনি দেখছেন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় দুর্নীতি দমন কমিশনে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন। এর আগে গতকাল প্রথম দফায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কেনাকাটায় দুর্নীতির ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং সক্ষমতা না থাকা স্বত্ত্বেও রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া থেকে শুরু করে নানা কারণে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন তিনি।

health dg abul kalam azadডা. আবুল কালাম আজাদ

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকালের মতো আজও তিনি সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান। সামান্য যা বলেছেন, তার মূল বক্তব্য হলো- রিজেন্ট ও জেকেজি সম্পর্কে আমি যা জানি, তার সবটুকুই দুদককে বলেছি। তদন্তে আমি সব ধরনের সহায়তা করবো। আমি চাই, অপরাধীর বিচার হোক।

গতকাল প্রথম দফা ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত দুদকের কার্যালয়ে প্রায় ৫ ঘণ্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ডা. আবুল কালাম আজাদকে। সেখানে থেকে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন দিয়েছেন। নিজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমি একজন কঠোর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান, সৎ, দক্ষ, সফল ও মেধাবী কর্মকর্তা। তারপরও দায়িত্বে থাকাকালে আমার বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার হয়েছে।

dudok office 1দুদক

‘এক পর্যায়ে বিবেকের তাড়নায় আমি পদত্যাগ করেছি। কারণ আমার কাছে পদ নয়, সম্মানটাই বড়। আমি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় স্বাস্থ্যখাতে কিছু দুর্নীতি হয়েছে। দুদক সেসব বিষয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছে, আমি তাদেরকে জানিয়েছি। এরপরও যখন এ ব্যাপারে তারা সাহায্য চাইবে, আমি প্রস্তুত আছি। আমি চাই, দুর্নীতির বিচার হোক।’

sheikh mujib 2020