advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষের উদ্বেগ যেমন কমেছে তেমনি সচেতনতাও কমেছে অনেক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সবকিছু খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মানুষও এমনভাবে চলাফেরা করছে, যেন করোনাভাইরাস নামক কিছু জগতে নেই! এ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার বলছেন, দেশে আসন্ন শীতে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।

bd update 8may

গত ২৮ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। সেখানে বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরাও উপস্থিত ছিলেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত ওই বৈঠকে দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে নানা মতামত উঠে আসে। সেখানে অনেকেই শীতকালে করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন।

অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার বলেন, শীতকালে মানুষের শরীরের ইমিউনিটি কমে যায়। তাছাড়া আবহাওয়ার কারণে এমনিতেই ভাইরাসজনিত রোগ-বালাই বেড়ে যায় এই সময়। তাই শীতকালে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে, যেটাকে বলা হচ্ছে ‘সেকেন্ড ওয়েভ’। সেটা বিবেচনায় রেখে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে।

bangladesh risky health department

সভায় জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ। এছাড়া নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর ব্যাপারে পরামর্শ এসেছে। মানুষ যেন বেশি বেশি পরীক্ষা করে, সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে। করোনার বিরুদ্ধে জয় পেতে হলে সুনির্দিষ্ট এবং আগ্রাসী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে বলে মতামত দিয়েছেন সবাই।

sheikh mujib 2020