advertisement
আপনি দেখছেন

গত সোমবার কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে অনেকটা ‘হতবাক’ হয়েছে বাংলাদেশ। কারণ আগেই নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার কথা ছিল যে, তারা যেন নিত্যপণ্যের রপ্তানি বন্ধ না করে। আর যদি কোনো কারণে করতেই হয়, তাহলে সেটা যেন আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়। কিন্তু সেটা করেনি দেশটি।

flag bangladesh indiaবাংলাদেশ ও ভারতের পতাকা

এ বিষয়ে আজ বুধবার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রতিবেশী দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বিবেচনায় নিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি অব্যাহত রাখার অনুরোধ করার পাশাপাশি উল্লিখিত বিষয়গুলোও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এদিন ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে ওই কূটনৈতিক চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ভারতের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ রপ্তানির ক্ষেত্রে হঠাৎ করে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা বাংলাদেশকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কারণ দিল্লির এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়েছে।

onion priceদিল্লিকে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুরোধ জানিয়ে ঢাকার চিঠি

জানা যায়, চলতি বছরের ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি দুই দেশের বাণিজ্য সচিবদের মধ্যে যে বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছিল যাতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর রপ্তানি বন্ধ না করা হয়। পাশাপাশি ঢাকার পক্ষ থেকে এ অনুরোধ করা হয় যে, কোনো কারণে যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতেই হয়, তাহলে তা যেন আগেভাগে বাংলাদেশকে জানানো হয়।

এ ছাড়া গত বছরের অক্টোবরে ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরের সময়ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছিলেন। তখনো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছিল যে, রপ্তানি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা যেন আগে জানানো হয়।

ভারতকে পাঠানো চিঠিতে এসব বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে ভারত সরকার তাৎক্ষণিক যে ঘোষণা দিয়েছে তা বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। তাই দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনা করে পুনরায় পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু করার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

sheikh mujib 2020