advertisement
আপনি পড়ছেন

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাসে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ক্যাম্পাসে এখনো এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

Dhaka college

রমনা ডিভিশনের ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রুহুল আমিন সাগর বলেন, 'ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।'

সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ব্লকের দুইটি গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তারই সংঘর্ষের মূল কারণ বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাধারণ সম্পাদক ব্লকের সোহেল রানা ও আশরাফ গ্রুপকে ছাত্রলীগের আরেকটি গ্রুপ মারধর করে বের করে দেয়।

ছাত্রলীগের ওই গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন হিরণ, শেখ রাসেল ও জামাল উদ্দীন। এসময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। শেষ পর্যন্ত সোহেল, আশরাফসহ আরো ১৫ জনকে ক্যাম্পাসের বাইরে চলে যেতে হয়।

দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন ১০ জন। এর মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল (মাস্টার্সের শিক্ষার্থী), ফারহান তানভীর রিজভী এবং রহমত উল্লাহ (৩ য় বর্ষ) ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল সিদ্দিকীর মদদপুষ্ট সোহেল রানা এবং তার অনুসারিরা দীর্ঘদিন থেকে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণ করছিল। অন্যপক্ষের কারণের আধিপত্যে সমস্যা হচ্ছিলো। এটা নিয়েই দ্বন্দের সূত্রপাত ঘটে।

পরে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ছোট ছোট গ্রুপ নেতৃত্ব দেয়া শেখ রাসেল, হিরণ ভূইয়া, রাসেল মাহমুদ ও জামাল উদ্দীন একত্রিত হয়ে সোহেল এবং আশরাফ গ্রুপের লোকজনকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দেয়। ক্যাম্পাসে আশরাফ থাকতেন নর্থ ছাত্রাবাস এবং সোহেল রানা থাকতেন ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রাবাসে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা জামাল উদ্দীন বলেন, 'আসলে আমরা কিছুই করিনি। ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে তাদের বের করে দিয়েছে। যারা ক্যাম্পাসের বাইরে আছেন, তাদের বেশিরভাগই ০৪-০৫ সেশনের শিক্ষার্থী। তাদের ছাত্রত্ব শেষ। বর্তমানে ক্যাম্পাস শান্ত রয়েছে।'

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, 'ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। তারা ছাত্রলীগের কোনো কার্যক্রমেও আসে না। সুতরাং কারা মারামারি করেছে, সেটা আমাদের জানা নেই। এখানে কোনো গ্রুপের পক্ষ নেয়ারও কিছু নেই।'

আপনি আরো পড়তে পারেন

মুদ্রা পাচার মামলায় তারেক জিয়ার রায় যে কোনো দিন

শুদ্ধস্বরের প্রকাশক টুটুল হত্যাচেষ্টায় সিহাব গ্রেফতার

‘ঋণ পরিশোধ করে ভারতের সুদ টানছে বাংলাদেশ’

ঢাকার বাজারে পোশাকের নাম ফেসবুক, থ্রিজি!

প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়লো ১২২৫ টাকা