advertisement
আপনি দেখছেন

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অন্তত ছয়টি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। সেগুলো এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদনের অপেক্ষায়। এর মধ্যেই বিভিন্ন দেশ সেই ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য নিজেদের বরাদ্দ দিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ সরকারও পিছিয়ে নেই।

russia vaccine cv2

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য চলতি মাসের শুরুর দিকেই ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশি বেসরকারি বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। সেই অনুয়ায়ী প্রাথমিকভাবে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে সংখ্যাটা আরো বাড়তে পারে।

এবার জানা গেল জাতিসংঘের গ্যাভি-দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের ব্যবস্থাপনায় কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় আরো ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ পাবে বাংলাদেশ। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১ দশমিক ৬২ থেকে দুই ডলার। ২০২১ সালের মধ্যে ভ্যাকসিন স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

russia vaccine cvকোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরিতে ল্যাবে কাজ করছেন এক গবেষক

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. সামসুল হক। তিনি জানান, গ্যাভির এই প্রক্রিয়াটি হচ্ছে, আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে। যে দেশ আগে বিতরণ পরিকল্পনা জমা দেবে তারাই সবার আগে পাবে। তারা শিগগিরই পরিকল্পনা জমা নেয়া শুরু করবে।

বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনেকটাই তৈরি আছে জানিয়ে ডা. সামসুল হক বলেন, প্রথম দিনই আমরা ভ্যাকসিন বিতরণের পরিকল্পনা জমা দিতে পারবো বলে আশা করছি। প্রতি ডোজের জন্য সরকারকে ১ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হবে।

sheikh mujib 2020